Header Ads

  • শিরোনাম সর্বশেষ

    খাদ্যাভাবে ক্ষিপ্র হয়ে উঠেছে রাস্তার কুকুর||ঢুকে পড়ছে বাসা বাড়ি ও দোকানপাটে||খুলনার খবর২৪


    খুলনার খবর২৪||সাদ্দাম হোসেন জুয়েল||করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ প্রতিরোধে মানুষ এখন ঘরবন্দি। এক এক করে লকডাউন হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকা। এমন অবস্থায় চরম জীবন সংকটে পড়েছে রাস্তার কুকুর, বিড়ালসহ বেওয়ারিশ প্রাণীরাও। অলি-গলির সব খাবার দোকান বন্ধ। ফলে অসহায় এসব প্রাণীরা হয়ে উঠছে ক্ষিপ্র।খাবারের খোঁজে মানুষেরর বাসা

    বাড়িসহ দোকানপাটেও ঢুকে পড়ছে।অনেককে তো কামড়াতেও আসছে।

    এসব অসহায় প্রাণীদের কল্যাণ সংগঠন "পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন"আছে। এ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্থপতি রাকিবুল হক।ইতিমধ্যে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বরাবর একটি পত্র দিয়েছেন ‘সমগ্র দেশে লকডাউন পরিস্থিতিতে পথের মালিকবিহীন প্রাণীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং মন্ত্রণালয় কর্তৃক খাদ্য সংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহনের।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়,খুলনা মহানগরীর প্রধান প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন অলি-গলিতে মালিকবিহীন কুকুর-বিড়াল চরম খাদ্য সংকটে পড়েছে। কোনো কোনো এলাকায় এসব প্রাণি হিংস্র হয়ে উঠছে, কোনো এলাকায় না খেয়ে মৃত্যুবরণ করছে।খুলনার সিমেট্রি রোডের বিভিন্ন অলি-গলিতে সারারাত ধরে কুকুর খাবারের জন্য চিৎকার করছে। এমনকি তারা অলিগলির দোকানপাটে ঢুকে পড়ছে।। যথাযথ খাবার না পেলে এসব প্রাণী হিংস্র হয়ে উঠার সঙ্গে মারাও যাবে।

    খুলনার সিমেট্রি রোডের বাসিন্দা ও জুয়েল এন্টারপ্রাইজের মালিক বলেন, কুকুর-বিড়াল না খেয়ে ঘুরছে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমি এসব প্রাণীর খাবার যতটুকু পারছি দিচ্ছি এবং পাড়া প্রতিবেশিদের বলছি তারা যেন এসব অসহায় প্রাণিকে খাবার দেয়। সবার কর্তব্য এই দুর্যোগ সময়েও কিছু খাবার কিংবা বেঁচে যাওয়া খাবার এসব পশুপাখিকে দেয়া। লকডাউন কিংবা ঘরবন্দি সাধারণ মানুষ যেন কিছু খাবার দরজা-জানালা দিয়ে রাস্তায়-বাইরে ফেলেন। ফেলে দেয়া খাবার খেয়ে প্রাণীরা বাঁচতে পারবে।

    আলহাজ্ব ইয়াকুব রাজা নামের এক ব্যবসায়ী জানান, তিনি প্রায় ১০ দিন ধরে বেঁচে যাওয়া খাবার তার বাসার চার পাশে থাকা কুকুর-বিড়ালকে দিচ্ছেন।

    যানা গোছে, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নির্দেশে কুকুর, বিড়ালসহ অভুক্ত প্রাণীগুলোকে খাবার খাওয়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন।

    পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন প্রতিদিন সহকর্মীদের নিয়ে নিজ উদ্যোগে শহরে থাকা বেওয়ারিশ কুকুর-বিড়ালকে খাবার দিচ্ছেন।

    No comments

    please do not enter any spam link in the comment box.

    click here



    Post Bottom Ad